চাকরি কেমন

আয়কর ও হাতে পাওয়া বেতন ক্যালকুলেটর (২০২৬-২৭)

মাসিক বেতন লিখুন, বছরে কত আয়কর লাগবে আর কর বাদে মাসে হাতে কত থাকবে দেখুন। হিসাব আপনার ফোনেই হয়, কোনো তথ্য আমাদের কাছে আসে না।

মূল বেতন আর সব ভাতা মিলিয়ে, কর কাটার আগে।

উৎসব বোনাস সাধারণত মূল বেতনের সমান ধরা হয়।

প্রতিটি এক মাসের মূল বেতনের সমান ধরে হিসাব হবে।

বাড়িভাড়া, ব্যবসা ইত্যাদি থেকে, না থাকলে খালি রাখুন।

বছরে আনুমানিক আয়কর

৳৫,০০০

কর বাদে মাসে হাতে

৳৪৯,৫৮৩

মাসে গড়ে ৳৪১৭ কর

বছরে মোট বেতন আয়
৳৬,৫০,০০০
করমুক্ত অংশ (বেতনের এক-তৃতীয়াংশ, সর্বোচ্চ ৪,৫০,০০০)
− ৳২,১৬,৬৬৭
করযোগ্য আয়
৳৪,৩৩,৩৩৩
করমুক্ত আয়সীমা
৳৪,০০,০০০
ধাপে ধাপে কর
আয়ের ধাপহারকর
৳৪,০০,০০০ – ৳৪,৩৩,৩৩৩১০%৳৩,৩৩৩

ধাপের হিসাবে কর ন্যূনতম করের চেয়ে কম, তাই আপনার এলাকার ন্যূনতম কর ৳৫,০০০ দিতে হবে।

হিসাবটা কীভাবে হয়

বছরে মোট বেতন আয় = মাসিক মোট বেতন × ১২ + উৎসব বোনাস। এর এক-তৃতীয়াংশ (সর্বোচ্চ ৪,৫০,০০০ টাকা) করমুক্ত। বাকিটার সঙ্গে অন্য আয় যোগ করে করযোগ্য আয় পাওয়া যায়। করযোগ্য আয়ের প্রথম অংশ করমুক্ত সীমা, তার ওপরের অংশে ধাপে ধাপে কর বসে।

বেতনের করমুক্ত অংশ

আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী চাকরিজীবীর বেতন আয়ের এক-তৃতীয়াংশ অথবা ৪,৫০,০০০ টাকা, যেটা কম, করমুক্ত। আলাদা করে বাড়িভাড়া বা চিকিৎসা ভাতার ছাড় নেই, সব এর ভেতরেই ধরা।

২০২৬-২৭ আয়বর্ষের করহার

সাধারণ করদাতার করমুক্ত সীমা ৪,০০,০০০ টাকা। নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের ৪,৫০,০০০, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের ৫,২৫,০০০, যুদ্ধাহত গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের ৫,৫০,০০০ টাকা। সীমার পরের প্রথম ৩,০০,০০০ টাকায় ১০%, পরের ৪,০০,০০০ টাকায় ১৫%, পরের ৫,০০,০০০ টাকায় ২০%, পরের ২০,০০,০০০ টাকায় ২৫%, আর বাকি আয়ে ৩০%।

ন্যূনতম কর

করযোগ্য আয় করমুক্ত সীমা পেরোলে হিসাবে কর কম এলেও ন্যূনতম কর দিতে হয়: ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ৫,০০০ টাকা, অন্য সিটি কর্পোরেশনে ৪,০০০ টাকা, আর সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ৩,০০০ টাকা।

বিনিয়োগ করলে কর কমে

সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস, জীবনবিমা, প্রভিডেন্ট ফান্ডে নিজের চাঁদা ইত্যাদি অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করলে করের ওপর রেয়াত পাওয়া যায়। এই ক্যালকুলেটর রেয়াত বাদ দিয়ে হিসাব করে, তাই বিনিয়োগ থাকলে আপনার আসল কর এর চেয়ে কম হতে পারে। রেয়াতের হার আর সীমা রিটার্ন জমার সময় NBR-এর নির্দেশনা থেকে মিলিয়ে নিন।

অফিস কেন প্রতি মাসে কর কাটে

নিয়োগকর্তা বছরের আনুমানিক কর ১২ ভাগ করে প্রতি মাসের বেতন থেকে উৎসে কেটে সরকারকে জমা দেন। বছর শেষে রিটার্নে আসল কর হিসাব হয়; বেশি কাটা হয়ে থাকলে সমন্বয় হয়। উৎসে কাটা করের সনদ নিয়োগকর্তার কাছ থেকে নিয়ে রাখুন।

এটা আনুমানিক হিসাব, কর বা আইনি পরামর্শ নয়। হার অর্থ আইন ২০২৬ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ আয়বর্ষের জন্য। আপনার ব্যক্তিগত অবস্থায় কর আলাদা হতে পারে। রিটার্ন জমার আগে NBR-এর ওয়েবসাইট বা একজন কর আইনজীবীর সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

আপনার কর্মস্থলে নিয়ম মানা হয় কি?

বেতন সময়মতো আসে কি না, ওভারটাইম দেয় কি না, ৩০ সেকেন্ডে জানিয়ে অন্যদের সাহায্য করুন। আপনার নাম প্রকাশ হবে না।